প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বাহিনী

- সাধারণ জ্ঞান - বাংলাদেশ বিষয়াবলী | NCTB BOOK
5.3k

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হচ্ছে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী যা সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত। পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডসহ অন্যান্য আধা সামরিক বাহিনীগুলো সাধারণ সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকে, তবে যুদ্ধকালীন সময়ে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় হল প্রধান প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান যেখানে সামরিক আইন তৈরী ও বাস্তবায়ন করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। ১৯৭১-এর ২১শে নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী গঠিত হয়। প্রতিবছর ২১শে নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসাবে পালিত হয়।

জেনে নিই

  • বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পূর্বনাম- ইস্টবেঙ্গল রেজিমেন্ট।
  • বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস- ২১ নভেম্বর।
  • ISSB-Inter Service Selection Board
  • ISSB হলো- সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ ও বাছাই বোর্ড ।
  • বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর সুপ্রীম কমান্ডার প্রেসিডেন্ট।
  • বাংলাদেশ সামরিক জাদুঘর ঢাকা সেনানিবাসে।
  • বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর সদর দপ্তর- কুর্মিটোলা, ঢাকা।
  • বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর সদর দপ্তর- ঢাকার বনানী।
  • বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর সদর দপ্তর- ঢাকার কুর্মিটোলা।
  • বাংলাদেশ এয়ারফোর্স ট্রেনিং সেন্টার- যশোর।
  • বাংলাদেশ নৌ বাহিনীর প্রতীক- কাছি বেষ্টিত নোঙ্গর ও এর ওপর শাপলা।
  • সামরিক স্টাফ কলেজ অবস্থিত- মিরপুর সেনানিবাসে।
  • সেনাবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন এম এ জি ওসমানী
  • বিমানবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন এ কে খন্দকার
  • নৌবাহিনীর প্রথম প্রধান ছিলেন ক্যাপ্টেন নূরুল হক
Content added By

সেনা বাহিনী

2.5k
  • আনুষ্ঠানিক যাত্রা- ২১ নভেম্বর, ১৯৭১।
  • সদর দপ্তর- কুর্মিটোলা, ঢাকা ।
  • প্রথম মহিলা বিগ্রেডিয়ার- সুরাইয়া রহমান ।
  • প্রথম চাকমা মেজর জেনারেল- অনুপ কুমার চাকমা।
  • সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ ও বাছাই বোর্ড এর নাম- ISSB
  • বর্তমান সর্বোচ্চ পদ- জেনারেল ।
  • নিয়মিতভাবে জেনারেল পদবী প্রাপ্ত প্রথম ব্যক্তি জেনালের মঈন উদ্দীন আহমেদ।
  • পূর্ব নাম- ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট।
  • ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রতিষ্ঠাতা- মেজর এম এ জি ওসমানী।
  • সেনাবাহিনীর শ্লোগান- সমরে আমরা শান্তিতে আমরা, সর্বত্র আমরা দেশের তরে।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল
লেফটেন্যান্ট জেনারেল
মেজর জেনারেল
লেফটেন্যান্ট কর্নেল

বিমান বাহিনী

2.1k
  • যাত্রা- ১৯৭১ সালে।
  • বাংলাদেশ এয়ার ফোর্স ট্রেনিং সেন্টার- যশোর।
  • বিমানবাহিনীর শ্লোগান- বাংলার আকাশ রাখিব মুক্ত।
  • সদর দপ্তর- কুর্মিটোলা, ঢাকা।
  • প্রতীক- উড়ন্ত ঈগল ও এর উপরে শাপলা এবং দু পাশে দুটি করে ৪ টি তারকা।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

২৭ মার্চ, কলকাতার দমদমে
২৮ সেপ্টেম্বর, নাগাল্যান্ডের দিমাপুরে
১৭ এপ্রিল, পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে
১৫ আগষ্ট, ত্রিপুরার আগরতলায়

নৌ বাহিনী

9.3k
  • নৌবাহিনী সদর দপ্তর- বনানী, ঢাকা।
  • নৌবাহিনীর শ্লোগান- শান্তিতে সংগ্রামে সমুদ্রে দুর্জয় ।
  • আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা- ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭২ সালে।
  • যাত্রা শুরু করে- ২ টি গান বোট নিয়ে (পদ্মা এবং পলাশ) ।
  • প্রথম রণতরী- বিএনএস পদ্মা।
  • সর্বোচ্চ পদবী- ভাইস এডমিরাল ।
  • সোর্ড অব অনার প্রাপ্ত একমাত্র নৌ-ক্যাডেট- মারজিয়া ইসলাম।
  • বাংলাদেশের প্রথম ভাইস এডমিরাল- সরওয়ার জাহান নিজাম ।
  • নৌবাহিনীর প্রতীক- কাছি বেষ্টিত নোঙর ও এর ওপর শাপলা ।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

জেনারেল
ফিল্ড মার্শাল
এডমিরাল
ভাইস এডমিরাল
মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
আওরঙ্গজেব চৌধুরী
জহির উদ্দীন আহমেদ
মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন আহমেদ
মোহাম্মদ নাজমুল হাসান
আওরঙ্গজেব চৌধুরী
জহির উদ্দীন আহমেদ
মোহাম্মদ নিজামউদ্দিন আহমেদ

পুলিশ বাহিনী

4.3k
  • POLICE শব্দটি এসেছে- পর্তুগিজ ভাষা থেকে।
  • POLICE শব্দটির পূর্ণ রূপ হলো- P = Polite, O = Obedient, L = Loyal, I = Intelligent, C = Courageous, E = Efficient.
  • পুলিশের মূলনীতি- শান্তি-শৃঙ্খলা, নিরাপত্তা ও প্রগতি ।
  • বাংলাদেশ পুলিশ গঠিত হয়- পুলিশ আইন ১৮৬১ দ্বারা।
  • উপমহাদেশে পুলিশ প্রথা চালু করেন- লর্ড ক্যানিং, ১৮৬১ সালে।
  • বাংলাদেশ পুলিশ যে মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের।
  • বাংলাদেশ পুলিশ ইন্টারপোলের সদস্য হয়- ১৯৭৬ সালে।
  • জেলার পুলিশ প্রধানের পদবী- এসপি।
  • পুলিশের সর্বোচ্চ কর্মকর্তার পদবী- আইজিপি (ইনসপেক্টর জেনারেল অব পুলিশ)।
  • থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা- অফিসার ইনচার্জ বা ওসি।
  • পুলিশের প্রথম আইজিপি ছিলেন- এম. এ খালেক (১৯৭১-৭৩)

পুলিশের ব্যবহৃত আইন

  • ৫৪ ধারা বিনা ওয়ারেন্টে পুলিশ কর্তৃক গ্রেপ্তার করার ক্ষমতা।
  • ১৪৪ ধারা মানুষের চলাচল, আচরণ এবং মৌলিক কর্মকাণ্ডের বিধিনিষেধ বা নিয়ন্ত্রণ ।
  • ৪২০ ধারা বাংলাদেশ Penal Code এর একটি ধারা যা প্রতারণার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

আনসার বাহিনী

1.7k
  • বর্তমান নাম- আনসার ভিডিপি একাডেমি।
  • ১৯৯৬ সালে নামকরণ করা হয়- আনসার ভিডিপি
  • VDP এর পূর্ণরূপ- Village Defence Party
  • যাত্রা শুরু- ১৯৭৬ সালে।
  • আনসার একাডেমি অবস্থিত- সফিপুর, গাজীপুর।
Content added By

কোস্টগার্ড

1.5k
  • বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী অর্থনৈতিক জোন ও সমুদ্র সম্পদ রক্ষায় নিয়োজিত আধা সামরিক বাহিনী- বাংলাদেশ কোস্টগার্ড যারা বাংলাদেশ নৌ বাহিনী থেকে স্থানান্তরিত হয়ে আসে।
  • কোস্টগার্ড বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত ।
  • সদর দপ্তর- শের-ই-বাংলা নগর, ঢাকা।
  • কার্যক্রম শুরু করে- ২০ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ সালে।
Content added By

RAB

2k
  • RAB - Rapid Action Battalion.
  • সদর দপ্তর- কুর্মিটোলা, ঢাকা।
  • যাত্রা শুরু ২০০৪ সালের ২৬ মার্চ।
  • শ্লোগান- বাংলাদেশ আমার অহংকার।
  • RAB- স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক পরিচালিত।
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

র‍্যাপিড অ্যাকশন টুপ
র‍্যাপিড অ্যাকশন টিম
র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিশন
র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্রাঞ্চ
র‍্যাপিড অ্যাকশন বুরো
ল’ এনফোর্সমেন্ট অ্যাক্ট, ১৯৭৯
স্পেশাল ফোর্সের অ্যাক্ট, ১৯৯১
এলিট ফোর্সেস অ্যাক্ট, ১৯৮৪
পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট, ১৯৭৯
ডিএমপি অ্যাক্ট ১৯৭৬
ডিবি পুলিশ অ্যাক্ট ১৯৮৩
Rapid একশন ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ২০০৩
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯

BGB

1.8k
  • বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বাংলাদেশ সীমান্ত রক্ষক) বাংলাদেশের একটি আধাসামরিক বাহিনী ।
  • এর কাজ হল মূলত- বাংলাদেশের সীমান্ত রক্ষা করা
  • এর প্রধান কার্যালয়- ঢাকার পিলখানায় অবস্থিত ।
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পূর্বে এর নাম ছিল ইস্ট পাকিস্তান রাইফেল্স (ইপিআর)।
  • বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের পর- ৩ মার্চ, ১৯৭২ সালে এর নাম হয় 'বাংলাদেশ রাইফেলস/ বিডিআর।
  • ২০০৯ সালে পুনরায় নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
  • ২০১৬ সালে এই বাহিনীতে সর্বপ্রথম নারী সৈনিক যোগ দেয়।
Content added By

দুদক- দুর্নীতি দমন কমিশন

1.6k

দুর্নীতি দমন কমিশন বা দুদক বাংলাদেশে দুর্নীতি দমন, নিয়ন্ত্রণ, ও দুর্নীতি প্রতিরোধে গঠিত একটি কমিশন। দুর্নীতি দমন কমিশন একটি স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও স্বশাসিত সংস্থা। এটি ২০০৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ অনুসারে কার্যকর হয়েছে। ২০০৪ সালে আইনটি প্রবর্তনের পর ২০১৩ ও ২০১৬ সালে আইনটি সংশোধন করা হয়েছে। ২০০৭ সালে দুর্নীতি দমন কমিশন বিধিমালা ২০০৭ প্রবর্তন করা হয়েছে। ২০১৯ সালে এ বিধিমালা সংশোধন করা হয়েছে। দুদক চাকরি বিধিমালা প্রবর্তন করা হয়েছে ২০০৮ সালে। একজন চেয়ারম্যান ও দুজন কমিশনার নিয়ে গঠিত দুর্নীতি দমন কমিশন এর প্রধান কার্যালয় ঢাকার সেগুনবাগিচায় অবস্থিত। দেশে দুর্নীতি ও দুর্নীতিমূলক কাজে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে একমাত্র স্বীকৃত সংস্থা এটি। যে কোনো ব্যক্তি বা সংস্থার বিরুদ্ধে কমিশনের এখতিয়ারভুক্ত বিষয়ে কোনো অভিযোগ সমন্বিত জেলা কার্যালয়, বিভাগীয় অথবা সেগুনবাগিচা, ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয় প্রেরণ করা যাবে।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সশস্ত্র বাহিনী

3.3k

বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হচ্ছে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী যা সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত। পাশাপাশি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডসহ অন্যান্য আধা সামরিক বাহিনীগুলো সাধারণ সময়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে থাকে, তবে যুদ্ধকালীন সময়ে তারা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অধীনে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সামরিক বাহিনীর সর্বাধিনায়ক এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয় হল প্রধান প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান যেখানে সামরিক আইন তৈরী ও বাস্তবায়ন করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী নিজেই বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী। ১৯৭১-এর ২১শে নভেম্বর মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বাংলাদেশের সামরিক বাহিনী গঠিত হয়। প্রতিবছর ২১শে নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসাবে পালিত হয়।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

সেনাবাহিনী প্রধান
প্রতিরক্ষামন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
রাষ্ট্রপতি
প্রধানমন্ত্রী
সেনাবাহিনীর প্রধান
রাষ্ট্রপতি
প্রতিরক্ষা মন্ত্রী
২১ নভেম্বর
২২ নভেম্বর
২৩ নভেম্বর
২৪ নভেম্বর
রাষ্ট্রপতি
প্রতিরক্ষামন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

Armed Forces Day

1.9k

২১ নভেম্বর বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী দিবস পালিত হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী মুক্তিযুদ্ধে সম্মিলিত আকারে প্রথম অভিযান পরিচালনা করে। তাই দিনটি প্রতি বছর গৌরব ও মর্যাদার সাথে পালিত হয়।

সশস্ত্র বাহিনী দিবস সাংবার্ষিকভিত্তিতে ২১ নভেম্বর বাংলাদেশে পালন করা হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী সম্মিলিতভাবে মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে।

অতঃপর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ-ভারতের সেনাদের নিয়ে গড়া মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর প্রায় তিরানব্বই হাজার সেনা আনুষ্ঠানিকভাবে রেসকোর্স ময়দানে আত্মসমর্পণ করে। এ আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়েই বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের পাশাপাশি বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ-এর পরিসমাপ্তি ঘটে।

Content added By

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

2.2k

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সামরিক নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকর করার প্রধান প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান। এই মন্ত্রণালয়টি একজন মন্ত্রীর নেতৃত্বে পরিচালিত হয়। সাধারণত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। সশস্ত্র বাহিনী, আন্তঃবাহিনী দপ্তর এবং প্রতিরক্ষা সহায়ক অন্যান্য দপ্তর ও সংস্থার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব সমুন্নত রাখাই প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রধান দায়িত্ব।

ইতিহাস

বাংলাদেশ স্বাধীনতা অর্জনের পর পরই ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় গঠন করা হয়। প্রথম প্রতিরক্ষা মন্ত্রী ছিলেন তৎকালীন মহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

শিল্প মন্ত্রণালয়
শিক্ষা মন্ত্রণালয়
পরিবেশ মন্ত্রণালয়
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
একটি আর্ন্তজাতিক পরমাণু গবেষণা কেন্দ্র
সরকারি কলেরা গবেষণা কেন্দ্র
সরকারি মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র
একটি কৃষি গবেষণা কেন্দ্র
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
শিল্প মন্ত্রণালয়
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রণালয়
প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয়
বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্তণালয়
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
বন ও পরিবেশ মন্ত্রনালয়ের আওতাধীন?
প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়
তথ্য মন্ত্রনালয়

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন

1.5k

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বাংলাদেশের একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা যার কাজ সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। এটি একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন সংস্থা। পাকিস্তান আমলের সরকারি কর্ম কমিশনের উত্তরাধিকার হিসাবেই বাংলাদেশে গঠিত হয়েছিল সরকারি কর্ম কমিশন। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়। প্রতিবছর ৮এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন দিবস হিসেবে পালন করা হয়। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ থেকে ১৪১ পর্যন্ত অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বর্ণিত আছে। একজন চেয়ারপারসন এবং কয়েকজন সদস্য সমবায়ে পাঁচ বৎসর মেয়াদের জন্য কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারপারসন এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন।

ইতিহাস

বাংলাদেশ সরকার ১৯৭২ সালের সংবিধান অনুসারে প্রথমাবস্থায় ২টি পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠন করে, যা পাবলিক সার্ভিস কমিশন (প্রথম) এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশন (দ্বিতীয়) নামে অভিহিত হয়; কিন্তু পরবর্তীতে সংবিধান সংশোধন করত: উভয় কমিশনকে একত্রিত করে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন নামে একটিমাত্র কমিশন পদ্ধতি চালু করা হয়।

সংক্ষিপ্ত তথ্য

  • বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন বা বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (বিপিএসসি) একটি সাংবিধানিক এবং স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান।
  • এই কমিশনের প্রধানের পদবি হবে চেয়ারম্যান।
  • সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ বলে এই কমিশন গঠিত হয়েছে।
  • সংবিধানের ১৩৮ নং অনুচ্ছেদ বলে এই কমিশনের সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়।
  • সংবিধানের ১৩৯ নং অনুচ্ছেদে কমিশনের সদস্যদের মেয়াদের কথা উল্লেখ রয়েছে।
  • সংবিধানের ১৪০ নং অনুচ্ছেদ এই কমিশনের দায়িত্বের কথা উল্লেখ রয়েছে।
  • সংবিধানের ১৪১ নং অনুচ্ছেদ বার্ষিক রিপোর্ট কিভাবে জমা দিবে তার কথা উল্লেখ রয়েছে।
  • বর্তমান বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি। এর আগে এটি ছিল ২৭টি।
  • উপমহাদেশে প্রথম সরকারি কর্মকমিশন গঠিত হয়েছিল ১৯২৬ সালে।
  • বেঙ্গল সিভিল সার্ভিস কমিশন গঠিত হয়েছিল ১৯৩৭ সালে।
  • বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের প্রথম নারী চেয়ারপারসন ছিলেন অধ্যাপিকা ডক্টর জিনাতুন নেসা তাহমিদা বেগম।
  • এই কমিশনের প্রথম চেয়ারম্যান ছিলেন ড. এ. কিউ. এম. বজলুল করিম।
Content added By

বিসিএস-BCS (Bangladesh civil service)

2k

BCS এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Bangladesh Civil Service, যেখানে ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করার জন্য যে পরীক্ষা দিতে হয় সেটাই আসলে বিসিএস পরীক্ষা। একটা দেশের সরকারি চাকরিকে আমরা প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করতে পারি, একটা হলো সামরিক বা মিলিটারি সার্ভিস, আরেকটা হলো বেসামরিক বা সিভিল সার্ভিস। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (BPSC) গেজেট প্রকাশ করে ক্যাডার হিসেবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে নিয়োগ দেয়ার জন্য যে পরীক্ষা গ্রহণ করে সেটাই হলো বিসিএস পরীক্ষা।

ক্যাডার এর অর্থ হচ্ছে কিছু লোককে নিয়ে গঠিত একটা দল, যাদেরকে একটা বিশেষ কার্য সম্পাদনের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। সরকারি কর্ম কমিশন একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা, যার দায়িত্ব সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। এটিকে ইংরেজিতে পাবলিক সার্ভিস কমিশন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। এটি একটি সাংবিধানিক ও স্বাধীন সংস্থা। একজন চেয়ারম্যান এবং কয়েকজন সদস্য সমন্বয়ে পাঁচ বছর মেয়াদের জন্য কমিশন গঠিত হয়। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি কমিশনের চেয়ারম্যান এবং সদস্যদের নিয়োগ প্রদান করেন। বিসিএস ক্যাডার কর্মকর্তা হিসেবে সাধারণত দুই ধরনের ক্যাডার পদে নিয়োগ দেয়া হয়। একটি হচ্ছে ‘সাধারণ ক্যাডার’ এবং অন্যটি ‘কারিগরি বা পেশাগত ক্যাডার’ পদ।

বিসিএস-এর ২৬টি ক্যাডারের নাম (ইংরেজি বর্ণমালার ক্রমানুসারে)

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) সাধারণ ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কৃষি)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (আনসার)সাধারণ ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (নিরীক্ষা ও হিসাব)সাধারণ ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সমবায়)সাধারণ ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (শুল্ক ও আবগারি)সাধারণ ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিবার পরিকল্পনা)সাধারণ ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (মৎস্য)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (খাদ্য)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
১০বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পররাষ্ট্র)সাধারণ ক্যাডার
১১বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বন)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
১২বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
১৩বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (স্বাস্থ্য)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
১৪বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (তথ্য)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
১৫বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পশু সম্পদ)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
১৬বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পুলিশ)        সাধারণ ক্যাডার
১৭বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (ডাক)সাধারণ ক্যাডার
১৮বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
১৯বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (গণপূর্ত)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
২০বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (রেলওয়ে প্রকৌশল)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
২১

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস

(রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক)

সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
২২বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সড়ক ও জনপথ)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
২৩বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (পরিসংখ্যান)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
২৪বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কর)সাধারণ ক্যাডার
২৫বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (কারিগরি শিক্ষা)কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
২৬বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বাণিজ্য)সাধারণ এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

বিডিআর (BDR)

1.7k

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ০৩ মার্চ ইস্ট-পাকিস্তান রাইফেলস বা ইপিআর বাহিনীর নামকরণ করা হয় বাংলাদেশ রাইফেলস (সংক্ষেপে বিডিআর)। ২০০৯ সালে সংঘটিত বিডিআর বিদ্রোহে ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা নিহত হন। ফলশ্রুতিতে ২০১১ সালে এ বাহিনীর নাম আরেকবার পরিবর্তন করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) রাখা হয়।

Content added By

# বহুনির্বাচনী প্রশ্ন

২৫ ফ্রেব্রুয়ারি ২০০৯
২৫ ফ্রেব্রুয়ারি ২০১০
২১ অগাস্ট ২০০৯
২১ সেপ্টেম্বর ২০১০
১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৭
২৩ ফেব্রুয়ারি ২০০৮
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৯
২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯
Promotion
NEW SATT AI এখন আপনাকে সাহায্য করতে পারে।

Are you sure to start over?

Loading...